বেইলি রোডের আগুনে কাঁদছে দেশবাসী

বৃহস্পতিবার রাত দশটার দিকে বেইলি রোডের আগুনে মারা যায় অনেক সংখ্যক মানুষ। কিন্তু আগুনের ঘটনা সূত্রপাত কোথা থেকে হয়েছে তার কিছু ধারণা পাওয়া গেছে। আর এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ইতিমধ্যে তিনজনকে।

আর এই তিনজন হচ্ছে ওই ভবনের নিচ তলার চুমুক নাম রেখে খাবারের দোকানের মালিক দুইজন আরেকজন হচ্ছে কাচ্চি ডাইন্সের ব্যবস্থাপক। ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার বলেছেন তাদের আটক করা হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্যতা পাওয়া গেলে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর পুলিশ বাদে হয়ে মামলা করবেন এছাড়াও যে কোন ভুক্তভোগী তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবেন সহজভাবেই। তাদের থেকে শুরু করেন ভবনের মালিক পর্যন্ত সবাইকে প্রয়োজন অনুসারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে আর যদি কারো বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রমাণ পাওয়া যায় তাদের বিরুদ্ধেও গ্রহণ করা হবে আইনি পদক্ষেপ।

বেইলি রোডের আগুনে কাঁদছে দেশবাসী

এই ভবনে আগুন লাগার পর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ৪৪জন মারা গিয়েছে। এছাড়াও আরো অনেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহ বিভিন্ন হাসপাতালে রয়েছে চিকিৎসাধীন অবস্থায়। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আবার অনেকে মোটামুটি সুস্থ হয়েছেন। আগুন লাগার ঘটনা খবর পেয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুহুর্তের ভিতর সেখানে ছুটে যান এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

এদিকে খবরটি সোশ্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচুর আলোচনায় আসে এবং সবাই এতে দুঃখ প্রকাশ করেন। এমন ঘটনা যেন বাংলাদেশের অন্য কোন প্রান্তে না ঘটে এবং কোথাও না ঘটে এর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়। আর প্রতি বছর বাংলাদেশের আগুনে দুর্ঘটনা ঘটে হতাহতের ঘটনা ঘটে প্রচুর পরিমাণে। তাই এ সকল ব্যবস্থাপনার থেকে নিজেদেরকে সুরক্ষা রাখতে হবে বলে জানান সাধারণ মানুষরা। বেইলি রোডের আগুনে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে চলছে নানা ধরনের আলোচনা। তবে সুস্থতা যেন সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সেটি চাওয়ার সবার।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top